**শহীদ মিনারে ছাত্রলীগের দখল, মুখরিত 'জয় বাংলা' স্লোগানে**
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষণা অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশের কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছে। তবে এর মধ্যেই সেনাবাহিনী ও জনগণের সহায়তায় পুরো শহীদ মিনার এলাকা ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। চারপাশে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে এলাকাটি।
সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর বাংলামোটরের রূপায়ন টাওয়ারে এক সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ এই স্থগিতাদেশের কথা জানান। তিনি বলেন, “আমাদের বিপ্লবীদের একত্রিত হওয়া থেমে থাকবে না। যদিও সরকার আমাদের প্রক্লেমেশনের ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে, তবে আমরা শহীদ মিনারের কর্মসূচি স্থগিত রাখছি।"
ভিডিও ফুটেজ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
**ছাত্রলীগের দখল**
আজ সকাল থেকেই শহীদ মিনার এলাকায় ছাত্রলীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী জড়ো হয়। তাদের সাথে সেনাবাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয় জনগণও ছিলেন। পুরো এলাকা ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়, এবং চারপাশে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মুখরিত হয়।
**অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান**
জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার পুরো বাংলাদেশকে একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। সরকার যদি আমাদের ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন করে এবং তা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে, তাহলে এটি একটি স্থায়ী জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে থাকবে।”
**ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা**
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, “আমাদের কর্মসূচি আপাতত স্থগিত থাকলেও আমাদের সংগ্রাম চলবে। শহীদ মিনারে বিপ্লবীদের একত্রিত হওয়া বন্ধ হবে না।"
শহীদ মিনার এলাকায় ছাত্রলীগের উপস্থিতি এবং 'জয় বাংলা' স্লোগানের দৃঢ়তায় আজকের দিনটি অন্যরকম রূপ নিয়েছে। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম এবং সরকারের প্রক্লেমেশন কীভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।