**নামাজরত অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতার মাকে কুপিয়ে হত্যা: ৬ শিবির কর্মী গ্রেপ্তার**
গত রাতে এক মর্মান্তিক ঘটনায় নামাজরত অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতার মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত ৬ জন শিবির কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।
### **ঘটনার বিবরণ**
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নারী তার নিজ বাসায় মাগরিবের নামাজ আদায় করছিলেন। ঠিক তখনই একদল দুর্বৃত্ত বাসায় ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। এই নারীর ছেলে একজন সক্রিয় ছাত্রলীগ নেতা এবং তিনি সম্প্রতি স্থানীয় শিবিরের বিরুদ্ধে বেশ কিছু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
### **গ্রেপ্তারকৃতরা**
পুলিশের একটি বিশেষ দল রাতভর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ৬ জন শিবির কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
### **পুলিশের বক্তব্য**
স্থানীয় থানার ওসি বলেছেন, "এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নিহতের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা হওয়ায় এটি রাজনৈতিক প্রতিশোধের অংশ হতে পারে। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
### **পরিবারের প্রতিক্রিয়া**
নিহতের পরিবার গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ছাত্রলীগ নেতার ভাষ্যমতে, "আমার মা কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তাকে এভাবে হত্যা করা অমানবিক। আমি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।"
### **সামাজিক প্রতিক্রিয়া**
এ ঘটনায় সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
- অনেকেই এ ঘটনাকে রাজনৈতিক সহিংসতার ভয়াবহ উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
- মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
### **আইনি প্রক্রিয়া**
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রক্রিয়া চলছে।
### **উপসংহার**
এই ঘটনা রাজনৈতিক সহিংসতার আরেকটি করুণ উদাহরণ। নিরীহ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীদের শাস্তি দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধে সব পক্ষের ভূমিকা রাখা জরুরি।
