**সুনামগঞ্জে উদ্ধারকৃত স্নাইপার রাইফেলের রহস্য: ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কের সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন**
সুনামগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আজ একটি বিশেষ অভিযানে ৭.৬২ স্নাইপার রাইফেল উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত অস্ত্রটি ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহর নামে নিবন্ধিত। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে হাসনাত পলাতক রয়েছেন, যা ঘটনাটিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে।
### **অভিযানের পটভূমি:**
আজ সুনামগঞ্জের একটি গ্রামীণ এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে একটি বাড়ি থেকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এই স্নাইপার রাইফেল উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এটি অবৈধভাবে ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল।
### **হাসনাত আব্দুল্লাহর নাম উঠে আসা:**
তদন্তের সূত্র ধরে জানা যায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রটি ছাত্র আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর নামে নিবন্ধিত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই সুনামগঞ্জ থানায় একাধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
### **হাসনাতের পলাতক অবস্থান:**
ঘটনার পর থেকেই হাসনাত আত্মগোপনে রয়েছেন। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি গোপনে জেলা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
### **প্রশাসনের বক্তব্য:**
একজন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, *“আমরা তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে আছি। উদ্ধারকৃত রাইফেলের সঙ্গে হাসনাত আব্দুল্লাহর সরাসরি যোগসূত্র পাওয়া গেছে। আমরা তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করছি।”*
### **সামাজিক প্রতিক্রিয়া:**
এই ঘটনার পর হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং তার নেতৃত্বাধীন ছাত্র আন্দোলন নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে গড়ে ওঠা আন্দোলন কীভাবে এমন ভয়ংকর কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।
### **পরবর্তী পদক্ষেপ:**
প্রশাসন জানিয়েছে, হাসনাতকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং অস্ত্রের উৎস ও এর পেছনের চক্রান্ত উদঘাটনের চেষ্টা করা হবে।
**উপসংহার:**
আজকের এই ঘটনায় ছাত্র আন্দোলনের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছে এবং সমাজে অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে। হাসনাত আব্দুল্লাহর গ্রেপ্তার ও তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে প্রত্যাশা।
